A-AB ব্লাড গ্রুপে ঝুঁকি বেশি করোনায়, অনেকটা নিরাপদ O পজিটিভরা

0
4
A-AB ব্লাড গ্রুপে ঝুঁকি বেশি করোনায়, অনেকটা নিরাপদ O পজিটিভরা


হাইলাইটস

  • সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে এ ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিরা করোনায় আক্রান্ত হলে তা গুরুতর আকার নেওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকটাই।
  • অন্যদিকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ও ব্লাড গ্রু‌পের ব্যক্তিদের করোনা সংক্রমণ অল্পেই সেরে যাওয়ার ঘটনা বেশি দেখা গিয়েছে।

এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: গত ১০ মাসে আমরা অনেক কিছু জেনেছি করোনাভাইরাসের সম্পর্কে। তবে এখনও এই অসুখ সম্পর্কে অনেক কিছুই আমাদের অজানা। কারোর কারোর ক্ষেত্রে কোভিডের হামলা খুবই মৃদু হয় আবার কারোর কারোর ক্ষেত্রে এই অসুখ প্রাণঘাতী। করোনা সংক্রমণ কার ক্ষেত্রে কেমন আকার নেবে, তা যেমন সেই ব্যক্তির বয়স এবং তাঁর অন্য কোনও অসুখ আছে কিনা, তার ওপর নির্ভর করে, তেমনই আক্রান্ত ব্যক্তির ব্লাড গ্রুপেরও নির্ভর করে অনেক কিছু।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে আমাদের কার কী ব্লাড গ্রুপ, তার ওপরে অনেকটাই নির্ভর করে করোনা সংক্রমণ আমাদের শরীরে কেমন আকার ধারণ করে। দুটি সাম্প্রতিক সমীক্ষায় এই বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে এ ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিরা করোনায় আক্রান্ত হলে তা গুরুতর আকার নেওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকটাই। অন্যদিকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ও ব্লাড গ্রু‌পের ব্যক্তিদের করোনা সংক্রমণ অল্পেই সেরে যাওয়ার ঘটনা বেশি দেখা গিয়েছে।

করোনায় বরাবরের মতো হারাতে পারে শ্রবণশক্তি! ভয় না পেয়ে জেনে নিন

গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে আমাদের শরীরে কোন গ্রুপের রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে তা করোনার ভয়াবহতা এবং স্বাস্থ্য সংকটের মধ্য সংযোগ স্থাপন করে। আর আমাদের শরীরের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্যান্য সমস্যা করোনার গুরুত্বকে বাড়িয়ে দেয়। চার লক্ষ ৭৩ হাজার মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন গবেষকরা। সংক্রমণের আশঙ্কা এবং সংক্রমিত হলে বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা ও পজিটিভ ব্লাড গ্রুপের মানুষের জন্য কম। এ এবং এবি গ্রুপের রক্তের মানুষদের মধ্যে সেখানে করোনা সংক্রমণ গুরুতর আকার নেওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই বেশি।

অবহেলা করবেন না, নাকের এই ২ সমস্যা করোনার উপসর্গ হতে পারে!

বিশেষ করে এ এবং এবি গ্রুপের রক্ত যাঁদের, করোনায় আক্রান্ত হয় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তাঁদের শরীরে নানা ধরনের জটিলতা দেখা দেয়। যেমন ফুসফুসের সমস্যা, রেনাল ড্যামেজ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর এদের ভেন্টিলেশনেও রাখতে হতে পারে। ও ব্লাড গ্রুপের এ এবং এবি ব্লাড গ্রুপের করোনা আক্রান্তদের বেশি দিন হাসপাতালে থাকতে হয় সাধারণত। স্পেনেও এই বিষয়ে একই রকমের সমীক্ষা চালিয়ে একই ধরনের ফলাফল পাওয়া গিয়েছে। আসলে বিভিন্ন ব্লাড গ্রুপ শরীরে কী ভাবে ক্লট করবে তার ধরণ ভিন্ন হয় এবং শরীরে রক্ত সঞ্চালনের ধরণও ভিন্ন হয়। সেই কারণে আলাদা আলাদা ব্লাড গ্রুপ শরীরে আলাদা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।

এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।



Source link

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here